Bd বাংলাদেশ

জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী অ্যাজেন্টের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা শাখার নায়েবে আমির ও জুড়ী বড়লেখা আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনী অ্যাজেন্ট মাওলানা আব্দুর রহমানসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করায় দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রফ্তারের দাবি জানিয়েছে মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের নেতারা।

মৌলভীবাজারের আমির ইঞ্জিনিয়ার মো: শাহেদ আলী ও জেলা সেক্রেটারি মো: ইয়ামীর আলী এক যুক্ত বিবৃতিতে জুড়ি উপজেলায় জামায়াত নেতাদের উপর মঙ্গলবার রাতে অত্যন্ত পরিকল্পিত ঠান্ডা মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে গুরুতর আহত করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, জুড়ী উপজেলায় বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা সেক্রেটারির উপস্থিতিতে এই হামলার ঘটেছে শুনে আমরা বিস্মিত হয়েছি। গতকাল তাৎক্ষণিক মামলা দেয়া হয়েছে কিন্ত ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি।

জেলা নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সন্ত্রাস করে ভয় ভীতি দেখানো যায় কিন্তু মানুষের মন জয় করা যায় না। আগামীকাল জনগণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের রায় ব্যালটের মাধ্যমে প্রকাশ করবে ইনশাআল্লাহ।

বিভিন্ন মিডিয়ায় অপপ্রচারের জবাবে জেলা নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থীর প্রধান অ্যাজেন্ট তার নির্বাচনী এলাকার যেকোনো স্থানে যে কোনো সময় যাতায়াত করা সম্পূর্ণভাবে বৈধ। এ ক্ষেত্রে তাকে বাধা দেয়ার কোনো আইনগত অধিকার কারো নেই—হামলা তো দূরের কথা, এ কাজে সরাসরি বাধা দেয়া ফৌজদারি অপরাধ।

আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময়সীমা শেষ হলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ের প্রচারণা আইনসম্মত। সব রাজনৈতিক দলের কর্মীরাই এই ধারার প্রচারণা চালিয়ে থাকেন, যা নির্বাচনী আইন ও প্রচলিত বিধির মধ্যেই পরে। কিন্তু কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, জোরপূর্বক বাধা সৃষ্টি করে বা হামলায় জড়ায়—তাহলে তা হবে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমরা জেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে গত সোমবার রাতে রাজনগর উপজেলায় নির্বাচনী মিছিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেয়ার পর মামলা গ্রহণে বিলম্ব ও যারা হামলা করেছে তাদেরকে দিয়ে মামলা প্রস্তুত করে জামায়াত নেতৃবৃন্দের নামে উল্টো মামলা গ্রহণের সংবাদ দুঃখজনক। এতে অপরাধীরা আরো অপরাধ করার প্রশ্রয় পাবে, নিরপরাধ মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা হারাবে।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ, অবিলম্বে সঠিক তদন্ত করে এ ঘটনার সাথে প্রশাসনের অতি উৎসাহী কারো যোগসাজস থাকলে তদন্ত করার এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের আহ্বান জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে জুড়ীর ঘটনায় অতি দ্রুত হামলাকারীদেরকে গ্রেফতারে করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আজমল হোসাইন।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: dailynayadiganta.com

Leave a Reply

Back to top button