Bd বাংলাদেশ

নারীদের বাইরে চাকরি করার প্রয়োজন নেই: ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম

বরিশাল-৫ ও ৬ আসনের প্রার্থী, ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেছেন, হাতপাখা মার্কায় ভোট দিলে দেশের নারীদের চাকরি করতে হবে না, ঘরেই তাদের টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। বুধবার বরিশাল প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি আর কোনো জোটের সঙ্গে ঐক্য গড়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। একইসঙ্গে তিনি নিরপরাধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হয়রানি না করারও দাবি জানান।

বরিশাল-৫ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করার পর বুধবার মিডিয়ার সামনে কথা বলেন ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর মোবাইলে জামায়াত প্রার্থী এডভোকেট মুয়ায্‌যম হোসাইন হেলালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে বর্তমানে আর কোনো জোটের সঙ্গে ঐক্য সম্ভব নয় বলে জানান তিনি। ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামী ঐক্য জোট যে নীতি ও আদর্শ নিয়ে গঠিত হয়েছিল, সেখান থেকে জামায়াতের বিচ্যুতি ঘটে। ইসলামের শরীয়া আইনে দেশ পরিচালনার কথা বলেও তারা সেখান থেকে সরে এসেছে। বরিশাল-৫ থেকে জামায়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও বরিশাল-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থিতা বহাল রাখলেও সেখানেও তিনি বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাতপাখা মার্কার প্রার্থী আরও বলেন, বরিশাল-৫ আসনে এর আগে একাধিকবার বিএনপি’র ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার জয়ী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। যারা সংসদে উচ্চ কণ্ঠে কথা বলতে পারেন এবার তাদের ভোট দেওয়ার দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, “একটিবারের মতো ইসলামী আন্দোলনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, দক্ষিণাঞ্চলের সব সমস্যা সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ।”

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন সরকার গঠন করলে নারীদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে। নারীদের বাইরে চাকরি করার প্রয়োজন নেই, তাদের অর্থ ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অযথা হয়রানি না করার কথা উল্লেখ করে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম বলেন, যেসব আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নামে কোনো মামলা নেই, তারা বাংলাদেশের নাগরিক, তাদের নাগরিকত্ব সরকার বাতিল করেনি, তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তারা যদি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় শামিল হয়, তাদের যেন আটক না করা হয়। তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সময় একটি মামলাও যেন দায়ের না হয়। আগে যে মামলাগুলো ছিল, তাদের গ্রেপ্তারে তার কোনো আপত্তি নেই। নাগরিকদের অযথা হয়রানি ইসলামী আন্দোলন মেনে নেবে না।

Leave a Reply

Back to top button