‘লাশতন্ত্র কায়েমই লন্ডন ফেরত মুফতির একমাত্র প্লান’

জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী সময়ে যখন লন্ডন ফেরত মুফতি সাহেব জুমে বসে ভিডিও কলের রাজনীতি খেলতেন, তখনই তার নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর অন্তর্কোন্দল, ক্ষমতার লড়াই আর অপরাধী রাজনীতির বলি হয়ে দুই শতাধিক মায়ের কোল শূন্য হয়েছে।
একই সঙ্গে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট, ধর্ষণ আর খুনে দেশকে ভয়াবহ অরাজকতায় ঠেলে দিয়েছে বিএনপি–ছাত্রদল।
দেশে পা দিয়েই মুফতি সাহেব নিজেকে ভাবতে শুরু করলেন রাজা, তার স্ত্রী রাণী, আর কন্যা প্রিন্সেস। ক্ষমতার নেশায় অন্ধ হয়ে তিনি ঘোষণা দিলেন—
“আই হ্যাভ এ প্ল্যান।”
জকসু নির্বাচনে ৫–০ ব্যবধানে রাজনৈতিকভাবে ভরাডুবির পরই তার প্রথম ‘প্ল্যান’ বাস্তবায়ন হলো শাকসু নির্বাচন বন্ধ। কারণ সে নির্বাচনকে ভয় পায়, জনমতকে ভয় পায়, তরুণদের রায়কে ভয় পায়।
এরপর আরও জঘন্য অধ্যায়, আমাদের হিজাব-নিকাব পরা পর্দানশীন মা-বোনদের ওপর বিএনপি–ছাত্রদলের হায়েনাদের লেলিয়ে দেওয়া হলো। আর আজ সেই রাজনীতির চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখলাম শেরপুরে প্রকাশ্য খুন।
মুফতি সাহেবের এখন আর গণতান্ত্রিক পন্থায় নেতা হওয়ার বাসনা নেই; তার হাসিনা হওয়ার খাহেশ জেগেছে।
সে গণতন্ত্র মানে না, নির্বাচন মানে না, নারীর সম্মান মানে না।
সে জানে মা-বোনদের রায় তার বিরুদ্ধে, তাই তাদের ভয় দেখায়।
সে জানে মানুষ তাকে চায় না, তাই সে খুন করে।
তার প্ল্যানে উন্নয়ন নেই, সংস্কার নেই, ন্যায়বিচার নেই
তার প্ল্যানে শুধু লাশ লাগে, রক্ত লাগে, আতঙ্ক লাগে।
লাশতন্ত্র কায়েমই লন্ডন ফেরত মুফতির একমাত্র প্লান।

