জোট প্রার্থীকে বিপাকে ফেলেছে জামায়াত!

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
জামায়াত জোট জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি আসন ছেড়ে দিলেও এর মধ্যে চারটি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হয়নি। নরসিংদী-২ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা, সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শরিক দল দুটির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র ফেরত নেননি।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আসনে জামায়াত ও অন্যান্য শরিক দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করার বিষয়টি নিয়ে ঐক্যের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করছে এনসিপি।
নরসিংদী-২ আসনে (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক) এনসিপির প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার)। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আমজাদ হোসাইন মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে যাওয়ার আগে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা বাসায় ‘আটক’ হন বলে জানা গেছে। পরে তিনি আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে (বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ এলাকা) এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। ঐক্যের অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেও জামায়াতের মো. আবু নাছের প্রত্যাহার করেননি। গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির প্রার্থী ঘটনাটিকে ‘অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করেন।
সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এনসিপির প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজের বিপরীতে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রার্থী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিনের বিপরীতে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
এদিকে, এনসিপির দুজন প্রার্থীও জোটভুক্ত দলকে ছেড়ে দেওয়া শরীয়তপুর-১ ও শেরপুর-১ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি।
১০-দলীয় ঐক্য মৌলভীবাজার-৪ আসনটি উন্মুক্ত রেখেছে। এই আসনে জামায়াতসহ অন্যান্য দল ও এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করার বিষয়টি নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আলোচনা চলছে। আলোচনায় সমাধান আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: bdtoday.net

