Bd বাংলাদেশ

পিসিবি চেয়ারম্যানকে ৮ বার ফোন করেও পাত্তা পেলেন না জয় শাহ!

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হওয়া জটিল পরিস্থিতিতে পাকিস্তান প্রকাশ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। শুধু সমর্থন জানানোতেই সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রয়োজনে পুরো বিশ্বকাপ বয়কট করার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এ ইস্যুতে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ইতোমধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আগামী শুক্রবার অথবা সোমবারের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পাকিস্তানের গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ নাকভিকে গুনে গুনে আটবার ফোন করেছেন। তবে নাকভি এসব কলের একটিতেও সাড়া দেননি বলে জানা গেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

পাকিস্তানের এই দৃঢ় অবস্থানের মুখে আইসিসি শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবে কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে। নাকভির সঙ্গে জয় শাহের যোগাযোগের চেষ্টা ছাড়াও পাকিস্তানের গণমাধ্যম আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে, যা দেশটির ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর মহসিন নাকভি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান ৩০ জানুয়ারি অথবা ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জানানো হবে। তবে পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেল জিএনএনের দাবি, শুক্রবারই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে, আর সেটি জানাতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। যদিও এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা নিশ্চিত নয়। তবে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতে মহসিন নাকভির বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। উল্লেখ্য, তিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও রয়েছেন।

পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকায় আইসিসিও চাপে রয়েছে। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেও, পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে তাদের বদলি দল প্রস্তুত করার মতো সময় হাতে নেই আইসিসির। পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে পুরো টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়েই বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। কারণ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—দুই দলই না থাকলে আইসিসির আয় ও টুর্নামেন্টের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

এদিকে পুরো বিশ্বকাপ বয়কট ছাড়াও পাকিস্তানের সামনে আরও কিছু বিকল্প রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন করা, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রতিটি জয় উৎসর্গ করা কিংবা কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামার মতো প্রতীকী প্রতিবাদ। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান কোন পথে হাঁটে।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: bartabazar.com

Leave a Reply

Back to top button