হক আদায় করতে শিবিরের দেওয়া লীগ পেটানোর সেই ঐতিহাসিক পাইপ আবারো বের করতে চান এবি জুবায়ের

১৬ জুলাই ছাত্রশিবিরের ছেলেরা আমাদের মধ্যে অনেকগুলো স্টাম্প আর সাইজ করা পাইপ বিতরণ করেছিল। আগেরদিন হাত খালি থাকায় ছাত্রলীগের হাতে একতরফা মা’র খেতে হয়েছিল তাই এই উদ্যোগ।
১৬ জুলাই বিকেলটা আমাদের কেটেছে একরকম উৎকণ্ঠা আর সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে ভুগতে। আমরা ছিলাম শহিদ মিনার এলাকায় আর রাজু ভাস্কর্যে চলছে ছাত্রলীগের সমাবেশ। সমাবেশ বলতে অ’স্ত্রধারী সন্ত্রা’সীদের অবস্থান আরকি।
আমাদেরও যাওয়ার কথা ছিলো রাজুতেই। বেশিরভাগই চেয়েছিল রাজুতে গিয়ে সন্ত্রা’সীদের মোকাবিলা করতে। কিন্তু একজন বিশেষ সমন্বয়কের মাতব্বরিতে আমাদের আর সেদিন রাজুতে যাওয়া হয় নাই। এইসব নিয়ে চলছিল সমন্বয়হীনতা কাম তর্কাতর্কি!
এদিকে সময় গড়িয়ে রাত হয়ে যাচ্ছে। রাত হয়ে গেলে হলের আবাসিক ছেলেরা কই যাবে! বিচ্ছিন্নভাবে ক্যাম্পাসে ঢোকা তো নিরাপদ হবে না মোটেও। পরে সিদ্ধান্ত হয় যা হওয়ার হবে। আমরা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকবো ভিসি চত্বর এলাকা দিয়ে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিছিল নিয়ে হলের ছেলেদের ক্যাম্পাসে পৌঁছে দিয়ে আমরা ব্যাক করি। পথিমধ্যে ভিসি চত্বরে এক লীগছানাকে হাতের পাইপটা দিয়ে আদর করার সুযোগ হয়েছিল ।
একটু স্মৃতিচারণ করে ফেললাম। পয়েন্টে আসি— শিবিরের দেয়া একটা পাইপ আমিও নিয়েছিলাম। কিন্তু পাইপটার হক তখন ঠিকমতো আদায় করতে পারি নাই। সবমিলিয়ে মাত্র দুইটা লীগছানাকে…
যাইহোক, পাইপটা যত্ন করে রেখে দিয়েছিলাম; স্মৃতি হিসেবে। ১৩ তারিখে আবার বের করবো কিনা ভাবছি। যদি একটু হক আদায় করার সুযোগ পাই!!
এবি জুবায়ের
১৬ জুলাই ছাত্রশিবিরের ছেলেরা আমাদের মধ্যে অনেকগুলো স্টাম্প আর সাইজ করা পাইপ বিতরণ করেছিল। আগেরদিন হাত খালি থাকায় ছাত্রলীগের হাতে একতরফা মা’র খেতে হয়েছিল তাই এই উদ্যোগ।
১৬ জুলাই বিকেলটা আমাদের কেটেছে একরকম উৎকণ্ঠা আর সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে ভুগতে। আমরা ছিলাম শহিদ মিনার এলাকায় আর রাজু ভাস্কর্যে চলছে ছাত্রলীগের সমাবেশ। সমাবেশ বলতে অ’স্ত্রধারী সন্ত্রা’সীদের অবস্থান আরকি।
আমাদেরও যাওয়ার কথা ছিলো রাজুতেই। বেশিরভাগই চেয়েছিল রাজুতে গিয়ে সন্ত্রা’সীদের মোকাবিলা করতে। কিন্তু একজন বিশেষ সমন্বয়কের মাতব্বরিতে আমাদের আর সেদিন রাজুতে যাওয়া হয় নাই। এইসব নিয়ে চলছিল সমন্বয়হীনতা কাম তর্কাতর্কি!
এদিকে সময় গড়িয়ে রাত হয়ে যাচ্ছে। রাত হয়ে গেলে হলের আবাসিক ছেলেরা কই যাবে! বিচ্ছিন্নভাবে ক্যাম্পাসে ঢোকা তো নিরাপদ হবে না মোটেও। পরে সিদ্ধান্ত হয় যা হওয়ার হবে। আমরা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকবো ভিসি চত্বর এলাকা দিয়ে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিছিল নিয়ে হলের ছেলেদের ক্যাম্পাসে পৌঁছে দিয়ে আমরা ব্যাক করি। পথিমধ্যে ভিসি চত্বরে এক লীগছানাকে হাতের পাইপটা দিয়ে আদর করার সুযোগ হয়েছিল ।
একটু স্মৃতিচারণ করে ফেললাম। পয়েন্টে আসি— শিবিরের দেয়া একটা পাইপ আমিও নিয়েছিলাম। কিন্তু পাইপটার হক তখন ঠিকমতো আদায় করতে পারি নাই। সবমিলিয়ে মাত্র দুইটা লীগছানাকে…
যাইহোক, পাইপটা যত্ন করে রেখে দিয়েছিলাম; স্মৃতি হিসেবে। ১৩ তারিখে আবার বের করবো কিনা ভাবছি। যদি একটু হক আদায় করার সুযোগ পাই!!

