পদত্যাগীদের ফেরানোর তোড়জোড় এনসিপিতে

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করাকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ১৬ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগীদের মধ্যে অধিকাংশ নেতা দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেও কারও পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পদত্যাগী নেতাদের ফিরিয়ে আনতে মরিয়া এনসিপি। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব তথ্য পাওয়া যায়। নেতারা জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠতার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়েছে। এ কারণে দলের নেতাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
যেসব নেতা দল ছেড়েছেন, তাদেরকে দলে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কেননা, ২৪-এর গণ অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় নাগরিক পার্টি করা হয়েছে। দেশের স্বার্থেই দলত্যাগীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, তারা যেন তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন।
২৮ ডিসেম্বর এনসিপির জোটে যাওয়ার চূড়ান্ত ঘোষণা আসে। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি জোটের সঙ্গে এনসিপির যুক্ত না হওয়ার বিষয়ে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে স্মারকলিপি দেন ৩০ নেতা। তবে স্মারকলিপি দেওয়ার আগের দিন রাতে এনসিপির অন্তত পাঁচজন নেত্রী এ বিষয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মনিরা শারমিন ও মনজিলা ঝুমা। পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা।
জামায়াত জোট ইস্যুতে পদত্যাগ করা অন্য নেতারা হলেন- এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ (তাসনিম জারার স্বামী) ও তাজনুভা জাবীন, মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন, আইসিটি সেলের প্রধান ফরহাদ আলম ভূঁইয়া, যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল, যুগ্ম সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক আজাদ খান ভাসানী (মওলানা ভাসানীর নাতি), দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামান, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী, সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা, আসিফ মোস্তফা জামাল, মীর হাবীব আল মানজুর, মারজুক আহমেদ ও আল আমিন টুটুল।
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: banglamagazinenews.com

